ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত বৈশ্বিক বাজারে এক নতুন ধাক্কা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে তেলবাজারে প্রভাব ফেলেছে এই সংঘাতের ফলাফল, যা ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। বিশ্বের তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেখানে সংঘাত তীব্র হলে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব ইতোমধ্যে তেলের দামে ব্যাপকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭৩ ডলার, যা চলতি বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, যদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি চলে যেতে পারে।
এছাড়া, বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেড়েছে। শেয়ারবাজার ও মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে ডলার ও অন্যান্য মুদ্রায় তার প্রভাব পড়বে। এতে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সঙ্কট আরও তীব্র হতে পারে।
বিশ্বের শেয়ারবাজারও এ সংকট থেকে রেহাই পাবে না, বিশেষ করে যেসব বাজার সরাসরি ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেখানে আরও চরম অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে। যেহেতু মার্কিন ডলার জ্বালানির রপ্তানিতে লাভবান হতে পারে, তাই ডলার শক্তিশালী হতে পারে। তবে, জাপানি ইয়েন ও সুইস ফ্রাঁ নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থায় থাকতে পারে।