বাংলাদেশে ধর্ষণ মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে, তবে আসামি না পাওয়া কারণে অনেক মামলার ডিএনএ পরীক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে

অগ্রগতি নেই ধর্ষণ মামলায়

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ১০:২২ সময় , আপডেট সময় : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ১০:২২ সময়

বাংলাদেশে ধর্ষণ মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে, তবে আসামি না পাওয়া কারণে অনেক মামলার ডিএনএ পরীক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২০% মামলার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ হলেও আসামির অভাবে সেগুলোর পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি। ধর্ষণ মামলায় ডিএনএ প্রোফাইলিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যেখানে ভুক্তভোগী এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির জৈবিক নমুনা সংগ্রহ করে তাদের ডিএনএ মিলিয়ে বিচার করা হয়। তবে, আসামি গ্রেপ্তার না হওয়া বেশিরভাগ মামলার সুরাহা হতে দিচ্ছে না। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান জানিয়েছেন, "আসামি গ্রেপ্তার না হলে ডিএনএ পরীক্ষা ও তদন্ত পুরোপুরি হয় না।"


২০১৯ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১৫ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হন। এই মামলায় তিন আসামির মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি, এবং বাকি দুইজন পলাতক রয়েছে। এছাড়া, ২০১৪ সালের বরিশালের ধর্ষণ মামলায়ও পলাতক আসামিদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সরকার ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে, তবে অভিযুক্তের নমুনা না পাওয়া অনেক মামলায় পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে। ২০১৮ সালের হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল, ধর্ষণ মামলায় ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে, যা পরবর্তীতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ সংশোধনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


এছাড়া, সিআইডি এবং ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাব কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১৪ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ২৪,৪৪৪টি মামলার ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, তবে ১৬৩টি মামলা এখনও ঝুলে আছে এবং ৫৫১টি নমুনার পরীক্ষা অসম্পূর্ণ রয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯