এক সময়ের খরস্রোতা ধরলা ও বারোমাসিয়া নদী আজ অনেকটা নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং পলি জমে নদীর

চ‌রের বু‌কে সবুজের সমারোহ, জীববৈচিত্র্য রক্ষার দা‌বি

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ৪:২৫ সময় , আপডেট সময় : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ৪:২৫ সময়

এক সময়ের খরস্রোতা ধরলা ও বারোমাসিয়া নদী আজ অনেকটা নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং পলি জমে নদীর বুক জেগে উঠেছে অসংখ্য চর, যার ফলে ধু ধু বালুচর এখন পরিণত হয়েছে সবুজ ফসলের মাঠে। তবে নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা-বারোমাসিয়া ও নীলকমল নদীর চরে কৃষকরা বোরো ধান, ভুট্টা, তামাকসহ নানা ফসলের আবাদ করছেন। চারদিকে সবুজের সমারোহ দেখা যাচ্ছে, আর অনেক স্থানে নদীতে পানি না থাকায় মানুষ হেঁটেই পার হচ্ছেন।


তবে নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলে পরিবারগুলো, যারা এক সময় এসব নদীতে দেশি মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পানি কমে যাওয়ায় মাছের প্রাপ্যতা হ্রাস পেয়েছে, ফলে তাদের আয়-রোজগার কমে গেছে।স্থানীয় কৃষক আলতাফ হোসেন ও মজিবর রহমান জানান, এক সময় ধরলার ভাঙনে ঘরবাড়ি ও জমি হারিয়েছেন অনেকেই। এখন সেই নদীর পলিমাটিতে বোরো চাষ করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তারা আশা করছেন, প্রতি বিঘায় ২৫-২৮ মণ ধান পাবেন। তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা ভালো দামের প্রত্যাশা করছেন।বারোমাসিয়া নদীর বুকে ভুট্টা চাষ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা বাম্পার ফলনের আশা করছেন, কারণ অনুকূল আবহাওয়ায় তাদের ফলন ভালো হয়েছে।


ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নিলুফা ইয়াছমিন জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ২০৫ হেক্টর, যার অধিকাংশই অর্জিত হয়েছে। নদী অববাহিকাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে বোরো ও ভুট্টার আবাদ হয়েছে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯