বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সাথে বিজিএমইএ-এর পরিচালনা পর্ষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পোশাক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিজিএমইএ বকেয়া নগদ প্রণোদনা দ্রুত ছাড় এবং প্রক্রিয়া সহজীকরণের জন্য অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে। তারা জানান, অনেক প্রতিষ্ঠানের নগদ সহায়তার আবেদন বাংলাদেশ ব্যাংক এবং লিয়েন ব্যাংকের অডিট প্রক্রিয়ায় আটকে রয়েছে, যার ফলে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রণোদনা এখনও অনিষ্পন্ন রয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তীব্র অর্থ সংকটে পড়েছে এবং রপ্তানি সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী এই দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে বকেয়া অর্থ দ্রুত ছাড়ের বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে প্রক্রিয়াটি আধুনিক ও সহজতর করার আশ্বাস দেন। এছাড়া, বিজিএমইএ-এর সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী তফসিলি ব্যাংকগুলোকে ঋণ পুনঃতফসিলের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেওয়ার প্রস্তাব দেন, যাতে কারখানা সচল রাখা যায় এবং ঋণ পরিশোধে বাধা না আসে। অর্থমন্ত্রী এই প্রস্তাবেও একমত পোষণ করেন।
বিজিএমইএ নেতারা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও উন্নত করার জন্য কাস্টমস, বন্দর এবং অন্যান্য প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য বিশেষ নীতি সহায়তার অনুরোধ জানান। এরপর, অর্থমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট বাধাগুলো চিহ্নিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশমালা এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।
বিজিএমইএ সভাপতি আশ্বস্ত করেন, তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক সুপারিশমালা সরকারের কাছে উপস্থাপন করবেন।