চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে নতুন এক দফা বৈঠকে বসতে যাচ্ছে, তবে আলোচনা চললেও সামরিক উত্তেজনা থামেনি। দুই দেশই একে অপরকে পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে আমেরিকা। এবার ইসরায়েলে মার্কিন যুদ্ধ দপ্তর পেন্টাগন প্রায় এক ডজন এফ-২২ র্যাপ্টর পাঠিয়েছে। ব্রিটেনের কোনো বিমানঘাঁটিতে সাময়িকভাবে রাখা এই যুদ্ধবিমানগুলি গত বছর ইরানের পরমাণু কেন্দ্রের ওপর হামলার সময়ও তেহরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল।
পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের উত্তেজনা এখন চরমে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দিয়েছেন। মার্কিন হামলার শঙ্কায়, ইরান ছাড়তে নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে ভারত। একই সঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্য এবং ভূমধ্যসাগরে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, পোল্যান্ড, সুইডেন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, সার্বিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু দেশ সতর্কতা জারি করেছে।
গতকাল স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অঙ্গীকার করেছেন যে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে, যদিও তিনি সমস্যার সমাধানে কূটনীতির গুরুত্ব দিয়েছেন।