মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা (এসভিআর) ইউক্রেনকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করার জন্য ইউরোপের দুই দেশের

ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র সরবরাহ করছে ব্রিটেন-ফ্রান্স, অভিযোগ রাশিয়ার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ৩:১৭ সময় , আপডেট সময় : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ৩:১৭ সময়

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা (এসভিআর) ইউক্রেনকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করার জন্য ইউরোপের দুই দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে। তবে, এই দাবির সপক্ষে এসভিআর কোনো দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করেনি। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যা পুরো বিশ্বের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। মস্কোয় নিযুক্ত ফ্রান্সের দূতাবাস এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে, এবং ব্রিটেনের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রাশিয়া পরবর্তীতে আরও একবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সংঘাতের ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে।


ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের চার বছর পূর্ণ হওয়ায় ইউরোপীয় নেতারা কিয়েভের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন, তবে কিয়েভের মিত্রদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। হাঙ্গেরি ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ ও রাশিয়ার ওপর নতুন ইইউ নিষেধাজ্ঞা ভেটো দিয়েছে। তবে ইউরোপীয় কমিশন প্রধান উরসুলা ফন ডার লিয়েন কিয়েভ সফরে গিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন যে, ইইউ যেকোনো উপায়ে এই ঋণ সহায়তা পৌঁছে দেবে।


এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জি-৭ নেতারা ইউক্রেনের প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই স্থায়ী শান্তি চুক্তি সম্ভব। বর্তমানে, রুশ বাহিনী ইউক্রেনের শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে এবং সামান্য অগ্রগতি লাভ করছে। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিযোগ করেছেন, ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে চেষ্টা করছে, তবে ইউক্রেন তাদের শিল্পসমৃদ্ধ দোনেৎস্ক অঞ্চলের শেষ ২০ শতাংশ ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।


প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, "হাজার হাজার মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া মাতৃভূমি তারা কখনোই শত্রুর হাতে তুলে দেবেন না।" কিয়েভের রাস্তাগুলোতে যুদ্ধক্লান্ত মানুষজন এখন নীরবতায় নিহত সৈনিকদের স্মরণ করছেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯