কঠোর নিরাপত্তা ও কড়াকড়ির মধ্যেও অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রায় ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি এশা ও তারাবিহ নামাজ আদায় করেছেন। ইসরায়েলি বাহিনীর চেকপয়েন্ট, প্রবেশপথে পরিচয় যাচাই এবং সামরিক উপস্থিতি সত্ত্বেও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি মসজিদে সমবেত হন। স্থানীয় সূত্র জানায়, পশ্চিম তীরে অভিযান, গ্রেপ্তার ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলার কারণে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতিতেও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নামাজে অংশ নিতে বিভিন্ন সামরিক বাধা অতিক্রম করেন। কালান্দিয়া ও বেথলেহেম চেকপয়েন্টে হাজারো মানুষকে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ রমজান মাসে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করে ১২ বছরের কম বয়সী শিশু, ৫৫ বছরের বেশি পুরুষ এবং ৫০ বছরের বেশি নারীদের প্রবেশ সীমিত করেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া কয়েকশ জেরুজালেমবাসীর ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, পবিত্র এ মসজিদটি প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত, যা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় অভিযান শুরুর পর জেরুজালেমে মুসলিমদের প্রবেশে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়। যদিও ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতির পর কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে।