প্রস্তাবিত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নতুন দুটি রুট—এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)—নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দরপত্রে সীমিত প্রতিযোগিতার কারণে ব্যয় বাড়ছে।
ঋণদাতা সংস্থা জাইকা প্রকৌশলগত কিছু শর্ত আরোপ করায় ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা কমেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, উন্মুক্ত দরপত্র প্রতিযোগিতা বাড়ানো গেলে নির্মাণ ব্যয় কমতে পারে।
তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকার প্রকল্পের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। ব্যয় কমাতে দরপত্র প্রক্রিয়ায় সংস্কার ও ঋণের শর্ত পুনর্বিবেচনার দাবি উঠেছে।
পুরকৌশল বিশেষজ্ঞ সামছুল হক বলেছেন, প্রতিযোগিতাহীন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে।