মার্কিন সর্বোচ্চ আদালত প্রেসিডেন্টের বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপের ক্ষমতায় লাগাম টেনে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আদালতের মতে, নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগে সাংবিধানিক সীমালঙ্ঘন হয়েছে। তবে রায়ের পরপরই ট্রাম্প নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করে বিশ্বব্যাপী ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কার্যকরের ঘোষণা দেন, যা দ্রুত কার্যকর হবে বলে জানান। এই পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশ বিদ্যমান চুক্তি ও বিনিয়োগ পরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়ন শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আইনি ব্যাখ্যা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বজায় থাকবে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত তাদের সাম্প্রতিক বাণিজ্য সমঝোতা পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। চীন সংযত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাণিজ্য যুদ্ধকে সবার জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে কানাডা ও মেক্সিকো সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর শুল্ক বহাল থাকায় উদ্বেগ কাটেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় শুধু অর্থনৈতিক নীতিই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার ভারসাম্য ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়েও নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে।