বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রায় ১৮ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে অন্যান্য জেলার ন্যায় ফরিদপুরেও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলা, ৬টি পৌরসভা ও ৮১টি ইউনিয়ন থেকে অন্তত ৫০ হাজার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নেতাকর্মীরা অবস্থান নেবেন। সেখান থেকে এদিন রাত ১০ থেকে ১১টার মধ্যে রাজেন্দ্র কলেজের মাঠ থেকে বাস ছেড়ে যাবেন।
নেতাকর্মীরা পদ্মা সেতু হয়ে সরাসরি রাজধানীর পূর্বাচল সড়কের ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চস্থলে উপস্থিত হবেন। ইতিমধ্যেই সেখানে ৪৮ ফিট বাই ৩৬ ফিট আয়তনের এবং চারপাশে আলোকসজ্জা, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে পরিবেশ উৎসবমুখর করা হয়েছে।
ফরিদপুর থেকে অন্তত ৫০ হাজার নেতাকর্মী রাতের মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছবেন। ইতিমধ্যে ৩০০টি পরিবহন বাস এবং ২৫০টি মাইক্রোবাস ভাড়া করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৯টি উপজেলা সদর থেকেও আরো শতাধিক বাস ও মাইক্রোবাস ঢাকায় যাবে। এ ছাড়া অনেক নেতাকর্মী ব্যক্তিগতভাবে ট্রেনযোগে রাজধানীতে পৌঁছবেন। ফরিদপুর জেলা বিএনপি এ ব্যাপারে সতর্কতার সঙ্গে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন জানান, বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এখন পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।
তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত যেকোনো সহায়তা পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হবে।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার জন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এটি আমাদের দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জেলায় জেলায় নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যেই তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়েছে। ফরিদপুর থেকে ঢাকায় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো হবে।
প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ফরিদপুর জেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা জানান, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রার মাইল ফলকে পৌঁছতে ভূমিকা রাখবে।