ক্ষুধার মুখে দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিবারকে বাঁচাতে গাজার ফিলিস্তিনিরা সমুদ্রের দিকে ঝুঁকছেন; যেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কারাবরণ কিংবা

ক্ষুধার জন্য জীবন বাজি রেখে সমুদ্রে যাচ্ছেন গাজার জেলেরা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, দুপুর ১১:২৯ সময় , আপডেট সময় : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, দুপুর ১১:২৯ সময়

ক্ষুধার মুখে দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিবারকে বাঁচাতে গাজার ফিলিস্তিনিরা সমুদ্রের দিকে ঝুঁকছেন; যেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কারাবরণ কিংবা মৃত্যুর ঝুঁকি।


মিডল ইস্টের খবের বলা হয়, ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে নিজের মাছ ধরার নৌকা ও সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরও ইসমাইল ফারহাত আবার সমুদ্রে ফিরে যান। তার জন্য মাছ ধরা কোনো পছন্দের বিষয় ছিল না; এটাই ছিল পরিবারের খাবার জোগানোর একমাত্র উপায়।


৮ অক্টোবর সকালে তিনি মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ উপকূল থেকে নিজ হাতে বানানো একটি ছোট ভেলায় করে সমুদ্রে নামেন।


কিছুক্ষণ পরই একটি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজ কাছে এসে তাকে ‘আত্মসমর্পণ করতে’ নির্দেশ দেয়।

এরপর ফারহাতকে আটক করা হয়, নির্যাতন করা হয় এবং ভবিষ্যতে আবার মাছ ধরতে গেলে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়। অবশেষে দুই মাসেরও বেশি সময় পর, গত মঙ্গলবার তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।


মুক্তির এক দিন পর ফারহাত মিডল ইস্ট আইকে বলেন, আমি আরেকজন জেলের সঙ্গে মাছ ধরছিলাম, হঠাৎ একটি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজ আমাদের কাছে আসে।


তারা আমাদের কাপড় খুলে ফেলতে, সমুদ্রে ঝাঁপ দিতে এবং সাঁতার কেটে তাদের জাহাজের দিকে যেতে নির্দেশ দেয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা জাহাজে ওঠার পর তারা আমাদের জেরা শুরু করে। আমরা কোথায় থাকি, বাস্তুচ্যুত হওয়ার আগে কোথায় ছিলাম—এ ধরনের প্রশ্ন করে। পাশাপাশি আমাদের পরিচয়পত্র নম্বর, বয়স ও মোবাইল ফোন নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চায়।


একজন সৈন্য তার ফোন দিয়ে আমার ছবি তোলে।’

এদিকে গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের চালানো গণহত্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৯৩৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯২ জন আহত হয়েছেন।


সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয় জানায়, ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও অন্তত ৪০৫ জন নিহত হয়েছেন এবং একই সময়ে ১ হাজার ১১৫ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ধ্বংসপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকটের কারণে আহতদের চিকিৎসা দিতে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে, ফলে মৃত্যুসংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯