হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে শীত জেঁকে বসেছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) জেলার সর্বনিম্ন

পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাস, শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে মানুষ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, দুপুর ১১:২৭ সময় , আপডেট সময় : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, দুপুর ১১:২৭ সময়

হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে শীত জেঁকে বসেছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এই তাপমাত্রা সংখ্যার হিসাবে বেশি মনে হলেও বাস্তবে শীতের তীব্রতা অনুভব করছেন এ জনপদের মানুষেরা। এর আগে সপ্তাহজুড়ে পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে অবস্থান করলেও এতটা শীত অনুভূত হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা।


বর্তমানে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ। সূর্যের দেখা দেরিতে মিললেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত উত্তাপ। উত্তরে ঠাণ্ডা বাতাস শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আবার বিকেল গড়াতেই তাপমাত্রা কমে আসে।


শুরু হয় শীতের আবহ। শীতের তীব্রতা বাড়ায় কষ্ট বেড়েছে অসহায় দরিদ্র মানুষের। প্রয়োজনীয়সংখ্যক শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে রাত পাড় করছেন অনেকে। বিশেষ করে জেলার নদীর বালু পাথর শ্রমিকদের পাশাপাশি ভোরে কাজে বের হওয়া দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, ভ্যানচালক ও খেটে খাওয়া মানুষদের অনেকেই কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে লড়াই করেই জীবিকার সন্ধানে বের হচ্ছেন।

কেউ কেউ শীত থেকে বাঁচতে খড়, কাঠ বা পরিত্যক্ত জিনিস জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন রাস্তার পাশে কিংবা হাট-বাজার এলাকায়। জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য মতে, এবার এখন পর্যন্ত প্রায় ১৬ হাজার শীতবস্ত্র জেলার পাঁচ উপজেলার দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।


ভোরে কাজে বের হওয়া মর্জিনা বেগম বলেন, ‘গত দুই দিন ধরে দিনে সূর্যের কোনো তাপ নেই। সকাল ১০ থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে, কঠিন ঠাণ্ডা। সকালে কাজে বের হলে হাত পা অবস হয়ে আসে।


ধনিপাড়া এলাকার নগেন চন্দ্র রায় বলেন, ‘এত মোটা মোটা জামা কাপড় পড়েছি তা-ও শীত কাটে না। ছেলে-মেয়ে নাতি নাতনি নিয়ে আগুন পোহাচ্ছি।’


ট্রাকচালক মজিবর রহমান বলেন, ‘সকালে কুয়াশার জন্য হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতেও সমস্যা হচ্ছে। গতি কমিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটছে।’


তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরো কিছুটা কমে আসতে পারে। সেই সঙ্গে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকবে।’

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯