ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিএসটিআই এর অনুমোদন ব্যতিত ভেজাল চকলেট ও জুস তৈরির সময় খন্দকার কনজিউমার ফুড লিমিটেড ইন্ডাস্ট্রিজ নামক ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী আতিকুর রহমান। বুধবার (১১ অক্টোবর) বিকালে বাঞ্ছারামপুরের পৌর এলাকার দশদোনা গ্রামে খন্দকার কনজিউমার ফুড লিমিটেড ইন্ডাস্ট্রিজ নামক ফ্যাক্টরিতে এ অভিযান চালায়।
এসময় ফ্যাক্টরির মালিক হুমায়ুন হোসেন খন্দকারকে নগদ দুইলক্ষ টাকা জরিমানা করেন এবং প্রতিষ্ঠানের মেশিনারিজ ইঞ্জিনিয়ারকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অপর একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী আতিকুর রহমান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি নূরে আলম পুলিশ ফোর্সের একটি চৌকসদল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঞ্ছারামপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী আতিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খন্দকার কনজ্যুমার প্রতিষ্ঠানে আসি।
এসময় অনুমোদন বিহীনভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নারীদের দিয়ে চকলেট, জুস তৈরী ও শিশুদের নানা রকম খাদ্য উৎপাদন করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী জমির মালিক হুমায়ুন কবির খন্দকারকে নগদ দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং মেহেদী হাসানকে তিন মাস ও রিপন মিয়াকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এসময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ফ্যাক্টরিটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।