রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের জন্য খোঁড়া গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে জীবিত ফিরে পেতে এক নির্ঘুম রাত কেটেছে

৪২ ফুট গভীরেও সন্ধান মেলেনি সাজিদের, আরো খননের সিদ্ধান্ত

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, বিকাল ৫:৮ সময় , আপডেট সময় : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, বিকাল ৫:৮ সময়

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের জন্য খোঁড়া গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে জীবিত ফিরে পেতে এক নির্ঘুম রাত কেটেছে উদ্ধার কর্মীদের। সঙ্গে স্বজন ও স্থানীয়দেরও। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত, রাত গড়িয়ে ভোর ও পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর। এভাবে চলে গেছে ২৫ ঘণ্টা।


এরপরও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শিশু সাজিদকে।  শিশু সাজিদকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ৪২ ফুট গভীরে গিয়েও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় উদ্ধারকাজ চলছিল।


ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ৪২ ফুট গভীরে গিয়েও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। গর্তটি ১০০ ফুট গভীর হলেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।  ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, মূল গর্তের পাশ থেকে কেটে শিশুটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। 


স্থানীয়রা বলেন, শিশুটি বুধবার দুপুর ১টার দিকে গর্তে পড়ে যায়।


কিন্তু ঘটনাস্থলে এক্সকাভেটর আসতে আসতে রাত ৮টা বেজে যায়।

স্থানীয় রাইসুল নামে একজন বলেন, ছোট দুটি এক্সকাভেটর দিয়ে কাজ শুরু করা হয়। কিন্তু শুরুতেই যদি বড় এক্সাভেটর দিয়ে কাজ শুরু করা যেত তাহলে হয়তো দ্রুতই উদ্ধারকাজ শেষ করতে পারতো উদ্ধার কর্মীরা।


তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ বলেন, প্রথমে আমরা তানোর উপজেলায় খোঁজ করেছি, কোথাও এক্সকাভেটর পাইনি। পরে পাশের উপজেলা মোহনপুর থেকে দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে এসে মাটি খননের কাজ শুরু করি।


এরপর রাত পৌনে ২টার দিকে আরেকটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সকাভেটর ঘটনাস্থলে আসে। সেটি দিয়ে দ্রুত মাটি খননকাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা আশা করছি আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করতে পারবো।


সকাল নয়টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত তানোর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব সংকর বসাক জানান, গতকাল দুপুর থেকে এখন পর্যন্ত শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশ বাহিনী ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স ও ডাক্তার।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯