রাজধানীর বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হচ্ছে দেশের পর্যটন শিল্পের সবচেয়ে বড় আয়োজন ১৩তম বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৫।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এই তিন দিনব্যাপী বৃহৎ আন্তর্জাতিক মেলার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে থাকছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক প্রেস মিট অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
টোয়াবের সভাপতি মো. রাফেউজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মেলার প্রেক্ষাপট ও সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরেন টোয়াবের পরিচালক (বাণিজ্য ও মেলা) মো. তাসলিম আমিন শোভন।
এবারের মেলায় পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানের জাতীয় পর্যটন সংস্থা ও ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন ছাড়াও নেপাল, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলংকা ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্টরা অংশগ্রহণ করছে।
টোয়াবের পরিচালক মো. তাসলিম আমিন শোভন জানান, এবারের মেলা আগের তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয় ও জাঁকজমকপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেলায় ৪টি হলে ২০টি প্যাভিলিয়নসহ মোট ২২০টি স্টল থাকবে।
মেলায় আন্তর্জাতিক ও দেশি এয়ারলাইন্স, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার এবং হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রদর্শক হিসেবে অংশ নেবে।
মেলার সাইড লাইন ইভেন্টে বিটুবি সেশন, সেমিনার ও কান্ট্রি প্রেজেন্টেশন ছাড়াও প্রতিদিন সাংস্কৃতিক আয়োজন রয়েছে। এছাড়া
পর্যটন গন্তব্যের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র (শুধুমাত্র বিটিটিএফ অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য), বিকাশের ক্যাশব্যাক অফার (প্রবেশ মূল্যের উপর), পর্যটন সচেতনতা ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।
টোয়াবের সভাপতি মো. রাফেউজ্জামান বলেন, ‘বিটিটিএফ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় পর্যটন মেলা যা টোয়াব ২০০৭ সাল থেকে আয়োজন করে আসছে। পর্যটন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এর টেকসই উন্নয়ন এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্য।
মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশ, ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট অথরিটি এবং এফবিসিসিআই।
মেলা ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু করে ৩ দিন, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। মেলায় প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা। তবে ছাত্র-ছাত্রী, মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাইযোদ্ধাদের জন্য মেলায় প্রবেশ ফ্রি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন গোল্ড পার্টনার ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার অশ্বিনী নায়ার, হসপিটালিটি পার্টনার রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর শাহিদ হামিদ এবং পেমেন্ট পার্টনার বিকাশের প্রতিনিধি।