ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
খুব শিগগির ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে উঠবে: ট্রাম্প ‘যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের সাহায্য ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সমাধান সম্ভব’ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর, আগের রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয় অর্ধেক ভোট গণনা শেষে ৫৫টি আসনে এগিয়ে নেতানিয়াহু সাদমানের ফিফটির পর ফিরলেন শান্ত কম্বোডিয়ায় অনলাইন প্রতারণা, ৯ মাসে ৩ হাজার বাংলাদেশি বহিষ্কার শাহরুখ খান বললেন, ‘খুনি নই, আমি প্রেমিক’ ২০২৬ সালের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেব: শিক্ষামন্ত্রী রোজার আগেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াটাও জামায়াত-এনসিপি সহ্য করতে পারছে না

অগ্নিকাণ্ডে নিঃশেষ গোটা পরিবার, একে একে চলে গেল ৫ জন

জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছিলেন পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর যুবক রিপন (৩৫)। ছোট ভ্যান চালিয়ে টেনেটুনে চলছিল সংসার। স্বপ্ন ছিল
  • আপলোড সময় : ১৯ জুলাই ২০২৫, দুপুর ১১:৩৬ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ জুলাই ২০২৫, দুপুর ১১:৩৬ সময়
অগ্নিকাণ্ডে নিঃশেষ গোটা পরিবার, একে একে চলে গেল ৫ জন ছবি : সংগৃহীত

জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছিলেন পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর যুবক রিপন (৩৫)। ছোট ভ্যান চালিয়ে টেনেটুনে চলছিল সংসার। স্বপ্ন ছিল সন্তানদের মানুষ করার, পরিবার নিয়ে একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা তার সেই স্বপ্ন ও সংসারকে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে। এক সপ্তাহে আগুনে দগ্ধ হয়ে একে একে মারা গেলেন স্ত্রী, তিন সন্তান আর শেষে রিপনও।


পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের যুগিরহাওলা গ্রামের বাসিন্দা রিপন প্রায় সাত বছর আগে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিন বছর আগে স্ত্রী চাঁদনী বেগম (৩০), দুই ছেলে তামিম (১৬) ও রোকনকে (১৩) সঙ্গে নিয়ে যান ঢাকায়। দেড় বছর আগে তাদের ঘরে আসে ছোট্ট ফুটফুটে কন্যা আয়েশা। রাজধানীর সূত্রাপুরের কাগজি টোলায় একটি বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন তারা।


রাজধানীর পুরান ঢাকার সূত্রাপুরের কাগজিটোলা এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে ঘটা বিস্ফোরণে ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন পরিবারের সবাই। আহত অবস্থায় সবাইকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।


১৪ জুলাই মারা যায় দেড় বছরের আয়েশা। দুইদিন পর চলে যায় তামিম (১৬) ও রোকন (১৩)। তাদের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান মা চাঁদনী (৩০)। ওইদিন দুপুরে ছেলেদের যুগিরহাওলা গ্রামের বাড়িতে, আর চাঁদনীকে তার বাবার বাড়ি সামুদাবাদ গ্রামে দাফন করা হয়। রাতে হাসপাতাল থেকে খবর আসে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন রিপনও! ১২ জুলাই বিকেলে জানাজা শেষে তাকে তার দুই ছেলের পাশে সমাহিত করা হয়।


এক সপ্তাহের ব্যবধানে একে একে মারা যাওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো গ্রামে। সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েছেন রিপনের বৃদ্ধা মা জরিনা বেগম। একমাত্র ছেলের পাঠানো টাকাতেই চলত তার জীবনযাপন। চোখের পানি শুকিয়ে গেলেও বুকের হাহাকার যেন থামছে না।


রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, এক পরিবারের পাঁচজন সদস্যের এমন করুণ মৃত্যুর খবর শুনে আমরা সবাই শোকাহত। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা উপজেলা প্রশাসন তাদেরকে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করা চেষ্টা করব।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৫ম বারের মতো দানবাক্স ও ডেগ খুলে অর্থ গণনা শুরু

শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৫ম বারের মতো দানবাক্স ও ডেগ খুলে অর্থ গণনা শুরু