রাজধানীর রাতের অন্ধকারে ককটেল বিস্ফোরণ, কোথাও আবার ফাঁকা বাসে আগুন—একই সময়ে একাধিক ঘটনায় যখন বাড়ছে উদ্বেগ, তখন এসব ঘটনার নেপথ্যে কারা, তা নিয়ে সামনে এসেছে সরকারের বক্তব্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই রাজধানীর কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে সরকার মনে করছে। রোববার সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি রায়কে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীর দু-একটি স্থানে রাতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদের দাবি, ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মোটরসাইকেলসহ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও জানান তিনি। হাইকোর্টের ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ এবং যাত্রাবাড়ীর ঘটনাতেও গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিকে চালক ও সহকারীহীন অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে পার্ক করে রাখা কয়েকটি বাসে রাতের বেলায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখনো যাদের শনাক্ত করা যায়নি, তাদের খুঁজে বের করতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শনাক্ত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে ডিবি জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, তাদের মধ্যে একজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালবাগ এলাকা থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেলও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়াই চূড়ান্ত বিষয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক এসব ঘটনাকে সরকার বড় ধরনের উদ্বেগ হিসেবে দেখছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করছে এবং যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ, রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একদিকে চলছে গ্রেপ্তার ও তদন্ত, অন্যদিকে সরকার বলছে—ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। এখন নজর সিসিটিভি ফু
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন