ঢাকা | |

দেশের সব বন্ধ ফ্যাক্টরি চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করছি: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

দেশের বন্ধ জুটমিল, টেক্সটাইল মিল এবং শিল্পকারখানাগুলো আবারও চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা
  • আপলোড সময় : ১ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৫৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৫৮ সময়
দেশের সব বন্ধ ফ্যাক্টরি চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করছি: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

দেশের বন্ধ জুটমিল, টেক্সটাইল মিল এবং শিল্পকারখানাগুলো আবারও চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, পাটশিল্প ও রেশমশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে নেওয়া হচ্ছে নতুন কর্মপরিকল্পনা। শনিবার টাঙ্গাইলের বাজিতপুর এলাকায় তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলম।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহারে দেশের সব বন্ধ জুটমিল, শিল্পকারখানা ও টেক্সটাইল মিল চালুর অঙ্গীকার করা হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তিনি জানান, শুধু টাঙ্গাইল নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ধাপে ধাপে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিল্প উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতের শাড়ির প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একসময় বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এই শিল্প আজ নানা সংকটে পিছিয়ে পড়েছে। একইভাবে পাটশিল্প ও রেশমশিল্পও হারিয়ে যেতে বসেছে। এসব ঐতিহ্য রক্ষায় দীর্ঘদিন কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দক্ষতা বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। তাই তাঁতিদের আধুনিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


সরকার প্রান্তিক তাঁতিদের জন্য প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার পরিকল্পনাও করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, দক্ষ জনবল তৈরি হলে দেশীয় তাঁতশিল্প আবারও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে। অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পের ব্যবসায়ী এবং অসংখ্য তাঁতি অংশ নেন।


বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ সফল হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় বাড়ানো এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয় এবং দেশের শিল্পখাতে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা