ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকের গুঞ্জন: নতুন সমীকরণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সম্ভাবনা ট্রাম্প-কিম সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে গুঞ্জন: বাস্তব সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১ এপ্রিল থেকে মেয়র নির্বাচনের জন্য আমি শতভাগ প্রস্তুত আছি: ইশরাক ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন ব্যালন ডি’অরের বিশেষ ভোটে শীর্ষে রোনালদো, ধারে কাছেও নাই মেসি সাফের জন্য ২৮ ফুটবলারের নাম জমা দিয়েছেন ডুলি ইসরায়েলে নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহুকে পূর্ণ সমর্থন ট্রাম্পের জেলেনস্কি ‘এই যুদ্ধ শেষ করতে চান না’: ট্রাম্প

১১ ডিসেম্বর যশোরে ভাষণ দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ

আজ ঐতিহাসিক ১১ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির একটি স্মরণীয় দিন। আর যশোরবাসীর জন্য এ দিনটি গৌরব ও অহংকারের। পাক
  • আপলোড সময় : ১১ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:২২ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:২২ সময়
১১ ডিসেম্বর যশোরে ভাষণ দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ছবি : সংগৃহীত
আজ ঐতিহাসিক ১১ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির একটি স্মরণীয় দিন। আর যশোরবাসীর জন্য এ দিনটি গৌরব ও অহংকারের। পাক হানাদার বাহিনীর কবলমুক্ত যশোরের মাটিতে এদিন ভাষণ দিয়েছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ।

১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর যশোর টাউন হল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এ বিজয় সমাবেশ। মুক্ত বাংলার প্রথম এ জনসভায় প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সমবেত জনতার উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আর ধ্বংস নয়, যুদ্ধ নয়। এই মুহূর্তে কাজ হলো যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলা।’ সেদিন তিনি সর্বস্তরের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ফণিভূষণ মজুমদার, রওশন আলী, মোশাররফ হোসেন, তবিবর রহমান সরদার, লেখক এম আর আকতার মুকুল, জহির রায়হান প্রমুখ। জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যশোরের তৎকালীন ডিসি ওয়াালি উল ইসলাম এবং কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন ঘোষালকে নির্দেশ দেন, আইন শৃঙ্খলার যেনো কোনও অবনতি না হয়। একই সাথে জনতাকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করবেন।

তাজউদ্দীন আহমেদ বলেছিলেন, স্বাধীন এই দেশে ধর্ম নিয়ে আর রাজনীতি চলবে না। আর তাই জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, পিডিপি ও নেজামে ইসলামকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। মুক্ত স্বদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত প্রথম এ জনসভার খবর সংগ্রহের জন্য উপস্থিত ছিলেন লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার সাংবাদিক পিটার গিল, নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার সিডনি এসএইচ সানবার্গ, ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিনিধিসহ বহু বিদেশি সাংবাদিক। এর আগে ৬ ডিসেম্বর বিকেলের মধ্যেই যশোর শহর থেকে হানাদার বাহিনী পালিয়ে চলে যায়। এদিন বিকেলে মিত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তি বাহিনী সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা জনতার ঢল নামে শহরে। পাড়া মহল্লায় চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল।

মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা জেলার মানুষ। এরপর ১১ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বেনাপোলে প্রবেশ করে যশোরে আসেন। জনসভা শেষে একই পথে আবার ভারতে ফিরে যান তিনি।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু

আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু