ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে হয়রানি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: এবি পার্টি অন্যের মাধ্যমে দোয়া করানো কতটা সঠিক? শায়খ আহমাদুল্লাহর ব্যাখ্যা ‘আমি আওয়ামী লীগের না, আমি হেলমেট পরব না’, প্রিজন ভ্যান থেকে আখতারুজ্জামান স্বর্ণের দাম কমবে না বাড়বে, কী বলছে পূর্বাভাস? বাংলাদেশ অন্য খেলোয়াড়দের ‘দাবার বোর্ড’ হতে চায় না: শামা ওবায়েদ বিমানবন্দরের ঘটনায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান রিমান্ডে শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী ১০ বছর পর ভারতে ভিনি, ব্রাজিল দলে ৭ পরিবর্তনের আভাস মাল্টার দাম কেজিতে ৫২০ টাকা, ব্যাখ্যা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মিলে বিমান ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছেন

মোহাম্মদপুরে একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকা সন্ধ্যা নামলেই অপরাধপ্রবণ অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রধান সড়ক থেকে শুরু
  • আপলোড সময় : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৩৯ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৩৯ সময়
মোহাম্মদপুরে একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকা সন্ধ্যা নামলেই অপরাধপ্রবণ অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত সক্রিয় রয়েছে ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক অভিযান ও হাজারো গ্রেফতারের পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর রিকশাযাত্রী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা ছিনতাইয়ের প্রধান টার্গেটে পরিণত হন। মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও ল্যাপটপ ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুরে বর্তমানে অর্ধশতাধিক অপরাধী গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি বড় গ্যাং হিসেবে চিহ্নিত, যেগুলোর প্রতিটিতে ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এলাকায় গ্যাংগুলোর নেতৃত্ব ও আনুগত্যে বড় পরিবর্তন আসে। সেই সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতার সুযোগে নতুন নতুন গ্যাং গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে অপরাধ বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।


সম্প্রতি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ইমন নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং সমস্যা। পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহত ইমন গ্রুপের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক সংশ্লিষ্ট একাধিক অভিযোগ ছিল। ডিএমপির মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, ইমন হত্যার ঘটনায় তার মা মামলা করেছেন, যেখানে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাতকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


পুলিশের তথ্যমতে, গত এক বছরে মোহাম্মদপুর এলাকায় বিভিন্ন অভিযানে অন্তত তিন হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবুও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা থামছে না। অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, এলাকায় ‘কবজি কাটা’, ‘অ্যালেক্স ইমন’, ‘পাটালি’, ‘বেলচা মনির’, ‘টুন্ডা বাবু’সহ একাধিক গ্যাং সক্রিয় রয়েছে, যারা আধিপত্য বিস্তার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।


ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ চলছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা