মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ ওমান থেকে দূতাবাসের ‘নন-ইমার্জেন্সি’ বা অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুক্রবার দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওমানে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদজনিত কারণে গোটা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই এই অঞ্চলে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নাগরিকদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলোতে ইতোমধ্যে ‘লেভেল ৪’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানা ২১ দিন আলোচনা হয়। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হয়। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে অভিযান চালায় ইসরায়েলও। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে। এসব ঘাঁটি রয়েছে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমানে।
বৃহস্পতিবার ইরান থেকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ওমানে পড়ে দুইজন নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। এর পরপরই দূতাবাসের কর্মীদের ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন